`Revisiting The July Uprising 2024: Documenting Memories Through an Oral History Archive’ শীর্ষক গবেষণা সেমিনার অনুষ্ঠিত
Jun 13, 2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

`Revisiting The July Uprising 2024: Documenting Memories Through an Oral History Archive’ শীর্ষক গবেষণা সেমিনার অনুষ্ঠিত

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়,  ১৩ জুন ২০২৬

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে `Revisiting The July Uprising 2024: Documenting Memories Through an Oral History Archive’ শীর্ষক গবেষণা সেমিনার আজ বেলা চারটায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবীবা।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহমুদা হাবীবা বলেন, জুলাই বিপ্লব কোনো নির্দিষ্ট দল বা মতের নয়, বরং এটি বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের এক অভিন্ন সম্পদ। এই জুলাই আমাদের মানুষ হিসেবে সোজা হয়ে বাঁচতে এবং স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ অনুভব করতে শিখিয়েছে। ভবিষ্যতে ইতিহাসের বিকৃতি রোধ করতে এবং যেকোনো বিভ্রান্তি বা তর্কের অবকাশ না রাখতে এই আন্দোলনের সঠিক ও শক্তিশালী ডকুমেন্টেশন বা তথ্যভিত্তিক নিবন্ধন নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি বলেন,  বিশেষ করে এলাকাভিত্তিক প্রতিটি ঘটনা এবং শহীদদের আত্মত্যাগের সঠিক ইতিহাস দ্রুত নথিভুক্ত করতে হবে, যেন সময়ের সাথে তথ্যের বিচ্যুতি না ঘটে তা কোনো কল্পকাহিনিতে রূপ না নেয়। তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের এই মহান অর্জন আমাদের তরুণ প্রজন্মের আগামীর পথচলার মূল শক্তি।

 

সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং একটি নির্ভরযোগ্য ইতিহাস বিনির্মাণ আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আমাদের জাতি আবেগপ্রবণ হলেও অনেক ক্ষেত্রে ইতিহাস সচেতন নয়, যার ফলে অতীতে ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় আমরা নানা ভুল ও বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছি। জুলাইয়ের ক্ষেত্রে সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি এড়াতে কেবল আবেগের বশবর্তী না হয়ে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রামাণ্য দলিল তৈরি করা জরুরি। উপাচার্য আরও বলেন, একটি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য যারা আহত হয়েছেন এবং যারা আঘাত করেছেন-উভয় পক্ষের ‘ফার্স্ট পারসন অ্যাকাউন্ট’ বা প্রত্যক্ষ বিবরণ সংগ্রহ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। তথ্যের এই আধুনিক যুগে সাধারণ মানুষের কাছে এই স্মৃতিগুলো পৌঁছে দিতে ডিজিটাল মাধ্যমকে কাজে লাগাতে হবে, যেন রিকশাচালক থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারক-সবাই স্ক্রল করার সময় সত্য ইতিহাস জানতে পারেন।

 

অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা, ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মনোয়ার হোসেন, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. মুহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম, ডুয়েটে’র প্রভাষক মো. মামুনুর রশিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও গবেষণার প্রকল্প পরিচালক কামরুন নেছা খন্দকার। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

 

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, পিএইচডি

পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)

Recent Press Releases