Insights from Recent Measles Outbreak in Bangladesh: Strengthening Scientific Response & National Preparedness শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
May 05, 2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Insights from Recent Measles Outbreak in Bangladesh: Strengthening Scientific Response & National Preparedness শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ০৫ মে ২০২৬

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজিস্টের (বিএসএম) জাহাঙ্গীরনগরের যৌথ আয়োজনে Insights from Recent Measles Outbreak in Bangladesh: Strengthening Scientific Response & National Preparedness শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

 

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। সেমিনারে বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে আইসিডিডিআরবি’র এন্টারিক অ্যান্ড রেসপিরেটরি ইনফেকশনস এর ইমেরিটাস সায়েন্টিস্ট ড. ফিরদৌসী কাদরি, ন্যাশনাল পোলিও-ইএস ও মিজেলস-রুবেলা ল্যাবরেটরির সাবেক প্রধান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ভাইরোলজিস্ট ও জনস্বাস্থ্য ল্যাবরেটরি বিশেষজ্ঞ ড. খন্দকার মাহবুবা জামিল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নিওনেটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার দে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে জীববিজ্ঞান অনুষদ ডিন অধ্যাপক মো. মাফরুহী সাত্তার এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজিস্টসের সভাপতি ড. মো. লতিফুল বারী উপস্থিত ছিলেন।

  

সেমিনারে বক্তারা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ভ্যাকসিন নিরাপত্তা ও স্বনির্ভরতা জোরদারের বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। বক্তারা জানান, ইউনিসেফ, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্যাভি-এর মতো আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান এবং শিশু টিকাদান কর্মসূচিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; তবে টেকসই জাতীয় প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে নিজস্ব ভ্যাকসিন গবেষণা, স্থানীয় উৎপাদন, মাননিয়ন্ত্রণ, কোল্ড-চেইন রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষণ, বিতরণ এবং টিকাদান-পরবর্তী নজরদারির সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে হবে।

 

আলচনায় বক্তারা হামসহ উদীয়মান ও পুনরায় উদীয়মান সংক্রামক রোগ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চিকিৎসক, মাইক্রোবায়োলজিস্ট, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, এপিডেমিওলজিস্ট, ল্যাবরেটরি পেশাজীবী, টিকাদান বিশেষজ্ঞ এবং নীতিনির্ধারকদের সমন্বিত অংশগ্রহণের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিশেষত তারা উল্লেখ করেন জীবাণু শনাক্তকরণ, জিনোমিক সার্ভেইল্যান্স, ভ্যাকসিন-সম্পর্কিত গবেষণা, বায়োসেফটি, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স পর্যবেক্ষণ এবং প্রাদুর্ভাব তদন্তে মাইক্রোবায়োলজিস্টদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

 

বক্তারা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে জাতীয় ভ্যাকসিন সক্ষমতা অপরিহার্য, বিশেষ করে এমন পরিস্থিতিতে যখন বহিরাগত সহায়তা কমে যেতে পারে, বিলম্বিত হতে পারে অথবা কোনো কারণে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ভ্যাকসিন-সম্পর্কিত গবেষণা, প্যাথোজেন সার্ভেইল্যান্স, ল্যাবরেটরি কোয়ালিটি সিস্টেম, মলিকিউলার এপিডেমিওলজি, ইমিউনোলজি, জিনোমিক্স এবং ভ্যাকসিন-প্রতিরোধযোগ্য রোগের মূল্যায়নে মাইক্রোবায়োলজিস্টরা এই জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

এই সেমিনারের মাধ্যমে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজিস্টস এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ হামসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগের হুমকি মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক সচেতনতা, প্রমাণভিত্তিক জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম এবং জাতীয় প্রস্তুতি জোরদারে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

 

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, পিএইচডি

পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)

Recent Press Releases